উঠোন আর থাম
আসল আকর্ষণ: পুরনো ইট, লম্বা থাম, নাটমন্দির আর পুকুর। ছবি তোলার জন্য এখানে বিকেলের শেষ আলোটা সবাই খোঁজে।
পুজো আর লম্বা ছুটির গাড়ি আগেই শেষ হয়ে যায়। তারিখটা এখনই বলে রাখুন।
ঘোরার গাইড
বজবজ ছাড়িয়ে বাওয়ালি একটা গ্রাম, যেখানে জমিদার বাড়িটা ভাঙা অবস্থা থেকে সারিয়ে হোটেল করা হয়েছে। থাকতেই হবে না: অনেক পরিবার দুপুরের খাওয়ার জন্য যায়, উঠোন আর মন্দিরের চাতাল ঘুরে বিকেলে ফিরে আসে। মধ্য কলকাতা থেকে প্রায় ৩১ কিলোমিটার, তাই আমাদের সবচেয়ে ছোট হেরিটেজ ট্রিপ এটাই।
ঘোরার গাইড
ঘোরার গাইড
আসল আকর্ষণ: পুরনো ইট, লম্বা থাম, নাটমন্দির আর পুকুর। ছবি তোলার জন্য এখানে বিকেলের শেষ আলোটা সবাই খোঁজে।
দিনের অতিথিদের সাধারণত খাওয়ার বুকিং করলেই নেওয়া হয়, তাই গেটে গিয়ে না দাঁড়িয়ে আগে ফোন করুন। বাঙালি দুপুরের খাওয়া আর চত্বরে ঘোরা, এটাই স্বাভাবিক ব্যবস্থা।
পুরনো মন্দির, পুকুর আর গলি, ধীরে আধ ঘণ্টা হেঁটে দেখার মতো। সাজানো কিছু নেই, সেই জন্যই ভালো লাগে।
গাড়িতে বেহালা আর বজবজ হয়ে, মধ্য কলকাতা থেকে প্রায় ৩১ কিলোমিটার আর ব্যারাকপুর থেকে ৫৪ কিলোমিটার, শহর থেকে মোটামুটি দেড় ঘণ্টা। শেষ দুই কিলোমিটার গ্রামের রাস্তা, সরু তবে পিচের। ট্রেনে কাজের মতো কিছু নেই, বজবজ স্টেশন থেকে স্থানীয় গাড়িও ধীর, তাই এটা গাড়ির ট্রিপ।
ঘোরার গাইড
ছোট কয়েকটা কথা, যার উপর নির্ভর করে দিনটা ভালো কাটবে না ক্লান্তিতে যাবে।
বেরোনোর আগে খাওয়া বা ঘর বুক করে নিন। না বলে গিয়ে দিনে ঘোরার নিশ্চয়তা নেই।
ছবি তোলার জন্য সাধারণত অনুমতি আর আলাদা টাকা লাগে। ওদের সঙ্গে সোজা কথা বলুন, আর আমাদের বলুন যাতে গাড়ি বেশি সময় রাখি।
ছবির জন্য যে আলো সবাই খোঁজে, সেটা চাইলে দিনের দ্বিতীয় ভাগে যান।
এখানে দূরত্ব আর সময় রুট ডেটা দেখে মিলিয়ে নেওয়া, তারপর সত্যিকারের যানজট ধরে একটু বাড়িয়ে লেখা। সময়, ফেরির সময় আর ঢোকার নিয়ম সিজন অনুযায়ী বদলায়, তাই যাওয়ার আগের দিন একবার জিজ্ঞেস করুন, সেই সপ্তাহে রাস্তা কেমন আমরা বলে দেব।
ঘোরার গাইড
আমাদের তালিকায় এই গাইডের সঙ্গে মেলে এমন ট্রিপ। গাড়ি বাড়ির সামনে থেকে ছাড়ে।
ঘোরার গাইড
এক দিনের ট্রিপ ভালো হয় যদি গাড়ি সকালে আপনার পাড়া থেকেই বেরোয়।
প্রশ্ন
সাধারণত হ্যাঁ, খাওয়ার বুকিং করলে। আগে ফোনে ওদের সঙ্গে নিশ্চিত করে নিন, কারণ সেদিন কোনো অনুষ্ঠান আছে কি না তার উপর নির্ভর করে।
মধ্য কলকাতা থেকে আট ঘণ্টায় যাওয়া-আসা, খাওয়া আর ঘোরা হয়ে যায়। ব্যারাকপুর বা দমদম থেকে দশ ঘণ্টা নিন।
তবুও ভাবছেন? তারিখটা পাঠিয়ে দিন। না পারলে সোজা বলে দেব
ঘোরার গাইড
গাড়ি লাগবে
তারিখ আর কত জন যাচ্ছেন লিখে পাঠান। কোন গাড়িতে হবে, ক’টায় বেরোনো ভালো আর পুরো দাম লিখে জানিয়ে দিই, তারপর আপনি ঠিক করবেন।