পুজো আর লম্বা ছুটির গাড়ি আগেই শেষ হয়ে যায়। তারিখটা এখনই বলে রাখুন।

ঘোরার গাইড

কলকাতা থেকে দার্জিলিং: দূরত্ব, আর সোজা কথায় কীভাবে যাবেন

কলকাতা থেকে দার্জিলিং রাস্তায় প্রায় ৬৩৯ কিলোমিটার, ব্যারাকপুর থেকে ৬২০, মানে বারো থেকে পনেরো ঘণ্টা গাড়ি চালানো। হয়, আর আমরা চালাইও, তবে বেশিরভাগ লোকের জন্য বুদ্ধিমানের প্ল্যান হল রাতের ট্রেনে নিউ জলপাইগুড়ি বা ফ্লাইটে বাগডোগরা, তারপর তিন-চার ঘণ্টার চড়াইয়ের জন্য গাড়ি। লম্বা রাস্তার বুকিং বড় হলেও আমরা এটাই বলি।

ট্রিপটা জানান

দামটা লিখে নিন

একটা মেসেজ করুন, সব মিলিয়ে দাম WhatsApp-এ পেয়ে যাবেন, বেশিরভাগ সময় কয়েক মিনিটে। এখন টাকা দিতে হবে না, বুক করারও দরকার নেই।

আপনার কী দরকার?
কত দিনের
  • এখন টাকা নয়
  • বিরক্তিকর ফোন নয়
  • যখন খুশি বাতিল

ঘোরার গাইড

এক নজরে

কলকাতা থেকে রাস্তার দূরত্ব
639 km
ব্যারাকপুরের দিক থেকে
620 km
সাধারণত কত সময় লাগে
রাস্তায় বারো থেকে পনেরো ঘণ্টা, বা বাগডোগরা/NJP থেকে তিন-চার ঘণ্টার চড়াই
কোন সময়ে ভালো
মার্চ থেকে মে আর অক্টোবর থেকে ডিসেম্বর। ধসের জন্য ভরা বর্ষা বাদ দিন

ঘোরার গাইড

রাস্তায় যা যা পড়ে

শিলিগুড়ি আর NJP

প্রবেশদ্বার: রাস্তায় কলকাতা থেকে প্রায় ৫৮১ কিলোমিটার, আর ট্রেন-ফ্লাইট এখানেই নামে। পাহাড়ের সব গাড়ি এখান থেকেই ছাড়ে।

কার্শিয়াং আর মিরিক

উপরে ওঠার দুটো রাস্তা, দুটোতেই থামার মতো। মিরিক এক ঘণ্টা বাড়ায়, তবে পথে লেক আর চা বাগান দেয়।

দার্জিলিং

টাইগার হিল, ম্যাল, টয় ট্রেন আর মনাস্ট্রি। তিন রাত আরামের মাপ; এতটা পথ যাওয়ার পর দুই রাত কম লাগে।

আমরা সত্যি কী বলি

শিয়ালদহ থেকে রাতের ট্রেনে নিউ জলপাইগুড়ি, বা সকালের ফ্লাইটে বাগডোগরা নিন। আমরা বাড়ি থেকে স্টেশন বা এয়ারপোর্টে নামিয়ে দিই, আর ওপারে গাড়ি এসে পাহাড়ের রাস্তা, ঘোরার দিনগুলো আর ফেরানোর কাজ করে। তবু পুরো রাস্তা গাড়িতে যেতে চাইলে আমরা দুজন ড্রাইভার আর শিলিগুড়িতে এক রাত থামা নিয়ে করি, কখনও একটানা নয়।

ঘোরার গাইড

যাওয়ার আগে আমরা যা বলি

ছোট কয়েকটা কথা, যার উপর নির্ভর করে দিনটা ভালো কাটবে না ক্লান্তিতে যাবে।

এপ্রিল, মে, অক্টোবর আর বড়দিনের সপ্তাহের জন্য ট্রেন আর পাহাড়ের হোটেল আগে বুক করুন।

ভারী বৃষ্টিতে ধসে পাহাড়ের রাস্তা বন্ধ হয়। বর্ষায় হাতে একটা দিন বেশি রাখুন আর ড্রাইভারের কথা শুনুন।

এপ্রিলেও গরম জামা নিন। ওই উচ্চতায় রাত ঠান্ডা।

এখানে দূরত্ব আর সময় রুট ডেটা দেখে মিলিয়ে নেওয়া, তারপর সত্যিকারের যানজট ধরে একটু বাড়িয়ে লেখা। সময়, ফেরির সময় আর ঢোকার নিয়ম সিজন অনুযায়ী বদলায়, তাই যাওয়ার আগের দিন একবার জিজ্ঞেস করুন, সেই সপ্তাহে রাস্তা কেমন আমরা বলে দেব।

ঘোরার গাইড

এই ট্রিপের গাড়ি

আমাদের তালিকায় এই গাইডের সঙ্গে মেলে এমন ট্রিপ। গাড়ি বাড়ির সামনে থেকে ছাড়ে।

ঘোরার গাইড

এই সব এলাকা থেকে আমরা তুলি

এক দিনের ট্রিপ ভালো হয় যদি গাড়ি সকালে আপনার পাড়া থেকেই বেরোয়।

প্রশ্ন

কলকাতা থেকে দার্জিলিং: দূরত্ব, আর সোজা কথায় কীভাবে যাবেন নিয়ে প্রশ্ন

কলকাতা থেকে দার্জিলিং রাস্তায় কত দূর?

প্রায় ৬৩৯ কিলোমিটার, বারো থেকে পনেরো ঘণ্টা গাড়ি। ব্যারাকপুর থেকে প্রায় ৬২০।

দুই দিনে দার্জিলিং গিয়ে ফেরা যায়?

ঠিকভাবে নয়। দুই দিনে প্রায় তিরিশ ঘণ্টা গাড়িতে কাটবে। ট্রেন নিয়ে চার দিন, বা গাড়িতে পাঁচ দিন, এটাই সবচেয়ে ছোট মাপ যেটা সত্যিকারের ছুটি হয়।

তবুও ভাবছেন? তারিখটা পাঠিয়ে দিন। না পারলে সোজা বলে দেব

গাড়ি লাগবে

তারিখ বলুন, দিনটা আমরা সাজিয়ে দিই

তারিখ আর কত জন যাচ্ছেন লিখে পাঠান। কোন গাড়িতে হবে, ক’টায় বেরোনো ভালো আর পুরো দাম লিখে জানিয়ে দিই, তারপর আপনি ঠিক করবেন।